Hi

০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রামগঞ্জের খেতে পানির অভাবে ফেটে যাচ্ছে বোরো ধানের চারা, কৃষকরা ঝুঁকিতে

লক্ষ্মীপুরে পানির সংকটে ফেটে যাচ্ছে বোরো ধানের খেত, কৃষকরা বিপাকে

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বোরো ধানের চাষের মৌসুমে পানির মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। চাঁদপুর সেচ প্রকল্প থেকে পানি না আসায় সেচ খাল শুকিয়ে গেছে, ফলে চারা লাল হয়ে পুড়ে যাচ্ছে এবং ক্ষেতের মাটি ফেটে যাচ্ছে। এতে রামগঞ্জ উপজেলার হাজারো কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সরজমিনে দেখা গেছে, বোরো ধানের চারা রক্ষা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। কৃষকরা জানান, ঋণ নিয়ে সার-বীজ ক্রয় করেছেন, কিন্তু সেচ না হলে পুরো মৌসুমের বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে যাবে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত খাল পুনঃখনন ও বিকল্প সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে চলতি মৌসুমে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ-জামান খান বলেন, “বাগাতি পাম্প হাউজের কার্যক্ষমতা বর্তমানে ৩০% এ নেমেছে, ফলে আগের তুলনায় পানি উত্তোলন কমে গেছে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাব্বির আহম্মদ সিফাত ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন নিশ্চিত করেছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ফসল উৎপাদনে বড় ধরণের ক্ষতি হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মেঘনা নদীর রায়পুর অংশের অপেক্ষাকৃত মিষ্টি পানি খালের মাধ্যমে আনা হলে বোরো আবাদে কিছুটা নিশ্চিততা আসতে পারে।

জনপ্রিয়

সোনাগাজীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

রামগঞ্জের খেতে পানির অভাবে ফেটে যাচ্ছে বোরো ধানের চারা, কৃষকরা ঝুঁকিতে

লক্ষ্মীপুরে পানির সংকটে ফেটে যাচ্ছে বোরো ধানের খেত, কৃষকরা বিপাকে

আপডেট : ০৬:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বোরো ধানের চাষের মৌসুমে পানির মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। চাঁদপুর সেচ প্রকল্প থেকে পানি না আসায় সেচ খাল শুকিয়ে গেছে, ফলে চারা লাল হয়ে পুড়ে যাচ্ছে এবং ক্ষেতের মাটি ফেটে যাচ্ছে। এতে রামগঞ্জ উপজেলার হাজারো কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সরজমিনে দেখা গেছে, বোরো ধানের চারা রক্ষা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। কৃষকরা জানান, ঋণ নিয়ে সার-বীজ ক্রয় করেছেন, কিন্তু সেচ না হলে পুরো মৌসুমের বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে যাবে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত খাল পুনঃখনন ও বিকল্প সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে চলতি মৌসুমে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ-জামান খান বলেন, “বাগাতি পাম্প হাউজের কার্যক্ষমতা বর্তমানে ৩০% এ নেমেছে, ফলে আগের তুলনায় পানি উত্তোলন কমে গেছে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাব্বির আহম্মদ সিফাত ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন নিশ্চিত করেছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ফসল উৎপাদনে বড় ধরণের ক্ষতি হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মেঘনা নদীর রায়পুর অংশের অপেক্ষাকৃত মিষ্টি পানি খালের মাধ্যমে আনা হলে বোরো আবাদে কিছুটা নিশ্চিততা আসতে পারে।