
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব দেশে ধীরে ধীরে পড়ছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে এবং সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কায় গাইবান্ধার প্রান্তিক জনপদে শুরু হয়েছে তেল মজুদের হিড়িক।
সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকার জিসান ফিলিং স্টেশন-এ সরেজমিনে দেখা গেছে, মানুষ শুধু যানবাহনের ট্যাংক পূরণ করছেন না, বরং ভ্যান ও ট্রলিতে বড় বড় নীল ও সবুজ রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম ও জারিকেনে তেল সংগ্রহ করছেন। পাম্পের কর্মীরাও এভাবে অতিরিক্ত তেল বিক্রি করছেন।
স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনে যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর দেখার পর আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, যেকোনো সময় তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে বা সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আসন্ন সেচ মৌসুম এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য মানুষ আগেভাগে পেট্রোল ও ডিজেল কিনে মজুত করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। তাছাড়া, প্লাস্টিকের ড্রামে তেল মজুত করা অগ্নিকাণ্ড ও জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি করছে।
স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতনরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেল মজুতের বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করা এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং এরকম পরিস্থিতিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার প্রয়োজন নেই।
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) 




















