Hi

০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি—হামলায় আহত নতুন ইরানি নেতা; ইরানের পাল্টা বক্তব্য, “তিনি এখনও নেতৃত্ব দিতে সক্ষম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত? যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নিয়ে তীব্র বিতর্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা Mojtaba Khamenei আহত হয়েছেন কিনা তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী তিনি সাম্প্রতিক হামলায় আহত হয়ে অক্ষম হয়ে পড়তে পারেন, যদিও ইরান এ দাবি সরাসরি নাকচ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হামলায় আহত হয়েছেন এবং তিনি সম্ভবত কার্যক্ষমতা হারিয়েছেন। তিনি বলেন, “নতুন নেতা আহত এবং সম্ভবত অক্ষম। তিনি একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন।”

হেগসেথ আরও প্রশ্ন তোলেন, ইরানের কাছে প্রচুর ক্যামেরা ও ভয়েস রেকর্ডিং সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কেন কেবল লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei নিহত হন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র দাবি করে। ওই হামলার পরই মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রদূত Peyman Sadat জানান, মোজতবা খামেনির আঘাত গুরুতর নয় এবং তিনি পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে নেতৃত্ব দিতে পারছেন।

মোজতবা খামেনির লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz বন্ধ রাখার সংকল্প নিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান Dan Caine উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন সক্ষমতা এবং নৌবাহিনীর শক্তি ধ্বংসের দিকে বেশি জোর দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, গত প্রায় ১৪ দিনের সংঘাতে তারা ইরানের ছয় হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় প্রায় দুই হাজার ইরানি নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে আবেদনের সময় বাড়ল

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি—হামলায় আহত নতুন ইরানি নেতা; ইরানের পাল্টা বক্তব্য, “তিনি এখনও নেতৃত্ব দিতে সক্ষম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত? যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নিয়ে তীব্র বিতর্ক

আপডেট : ১১:০০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা Mojtaba Khamenei আহত হয়েছেন কিনা তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী তিনি সাম্প্রতিক হামলায় আহত হয়ে অক্ষম হয়ে পড়তে পারেন, যদিও ইরান এ দাবি সরাসরি নাকচ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হামলায় আহত হয়েছেন এবং তিনি সম্ভবত কার্যক্ষমতা হারিয়েছেন। তিনি বলেন, “নতুন নেতা আহত এবং সম্ভবত অক্ষম। তিনি একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন।”

হেগসেথ আরও প্রশ্ন তোলেন, ইরানের কাছে প্রচুর ক্যামেরা ও ভয়েস রেকর্ডিং সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কেন কেবল লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei নিহত হন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র দাবি করে। ওই হামলার পরই মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রদূত Peyman Sadat জানান, মোজতবা খামেনির আঘাত গুরুতর নয় এবং তিনি পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে নেতৃত্ব দিতে পারছেন।

মোজতবা খামেনির লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz বন্ধ রাখার সংকল্প নিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান Dan Caine উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন সক্ষমতা এবং নৌবাহিনীর শক্তি ধ্বংসের দিকে বেশি জোর দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, গত প্রায় ১৪ দিনের সংঘাতে তারা ইরানের ছয় হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় প্রায় দুই হাজার ইরানি নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।