
সৌদি আরবে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান (৪০) ও তার স্ত্রী মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বড় কন্যা মোহনা (১৩) এবং ছোট কন্যা সুবাহ (১.৫) নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গাড়ি চালক হোসেন মোহাম্মদ জিলানী বাবর (৩০)ও প্রাণ হারিয়েছেন।
দূর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র শিশু ফাইজা আক্তার (১১) সম্প্রতি মামা আজহারুল ইসলাম সুমনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে ফিরেছেন। ফাইজা জানিয়েছেন, “আমি আর কখনো মাইক্রোতে উঠবো না এবং বিদেশে যাব না।” তিনি তার বাবা-মা, বড় বোন ও ছোট বোনের সঙ্গে ঈদের আগে একত্রিত হওয়ার আশা করছেন।
দূর্ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে (ফাইজা আক্তার বাংলাদেশে ফিরে আসেন। স্থানীয়রা তার খোঁজে তার নানার বাড়ীতে ভিড় করেছেন।
ফাইজার চাচা বাহারুল আলম জানান, “আমার ছোট ভাই মিজানের পরিবারের চারজন সদস্য এখন সৌদি আরবের মর্গে। লাশ দেশে আনার জন্য ১৫-১৬ লাখ টাকা প্রয়োজন। আমরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি।”
মিজানুর রহমানের পরিবার সৌদি আরবের হোটেল ও কফি-শপ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা ওমরা পালনের জন্য ৩ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরব যাত্রা করেছিলেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের আবহা এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন।
মোঃ মাসুদ রানা মনি 















