Hi

০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পটিয়ায় ভোটের মাঠে সক্রিয় তিন প্রতীক, ভোটারদের মধ্যে চরম কৌতূহল

পটিয়ার নির্বাচনী মাঠে তিন প্রতীকের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় জমে উঠেছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও মোমবাতি—এই তিন প্রতীকের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পটিয়ার গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজার ও অলিগলি।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় পোস্টার ও ফেস্টুন না থাকলেও লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন। চায়ের দোকান, ক্লাব ও হোটেলের আড্ডায় এখন একটাই আলোচনা—শেষ পর্যন্ত জয় কার?

অনেকে মনে করছেন বিএনপির ধানের শীষ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটব্যাংক দিন দিন বাড়ছে বলেও আলোচনা রয়েছে। আবার অনেকে দাবি করছেন, নৌকার ভোট ব্যাংকের বড় একটি অংশ ইসলামি ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকে চলে যেতে পারে।

এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াইটি হচ্ছে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামি ফ্রন্টের মধ্যে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত ও ইসলামি ফ্রন্টকে হালকাভাবে নিলে বিএনপি কৌশলগত ভুল করতে পারে। কারণ উভয় দলের কর্মী-সমর্থকরা মাঠে সক্রিয় এবং যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ভোটারদের মধ্যেও রয়েছে দ্বিধা ও সিদ্ধান্তহীনতা। কেউ বলছেন ধর্মীয় প্রতারণা থেকে বাঁচতে ধানের শীষে ভোট দেবেন, কেউ চাঁদাবাজি প্রতিরোধে দাঁড়িপাল্লাকে বেছে নিচ্ছেন, আবার কেউ সুন্নিয়তের রাষ্ট্র গঠনের আশায় মোমবাতিতে ভোট দেওয়ার কথা বলছেন।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে ভোটের দিন ব্যালট পেপার হাতে নেওয়ার মুহূর্তে। শেষ পর্যন্ত পটিয়ার নির্বাচনী বল কার জালে ঢুকে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোট গণনার ফলাফল পর্যন্ত।

জনপ্রিয়

নিউজিল্যান্ডকে ২৪৭-এ থামিয়ে জয়ের পথে বাংলাদেশ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

পটিয়ায় ভোটের মাঠে সক্রিয় তিন প্রতীক, ভোটারদের মধ্যে চরম কৌতূহল

পটিয়ার নির্বাচনী মাঠে তিন প্রতীকের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

আপডেট : ০৫:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় জমে উঠেছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও মোমবাতি—এই তিন প্রতীকের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পটিয়ার গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজার ও অলিগলি।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় পোস্টার ও ফেস্টুন না থাকলেও লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন। চায়ের দোকান, ক্লাব ও হোটেলের আড্ডায় এখন একটাই আলোচনা—শেষ পর্যন্ত জয় কার?

অনেকে মনে করছেন বিএনপির ধানের শীষ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটব্যাংক দিন দিন বাড়ছে বলেও আলোচনা রয়েছে। আবার অনেকে দাবি করছেন, নৌকার ভোট ব্যাংকের বড় একটি অংশ ইসলামি ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকে চলে যেতে পারে।

এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াইটি হচ্ছে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামি ফ্রন্টের মধ্যে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত ও ইসলামি ফ্রন্টকে হালকাভাবে নিলে বিএনপি কৌশলগত ভুল করতে পারে। কারণ উভয় দলের কর্মী-সমর্থকরা মাঠে সক্রিয় এবং যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ভোটারদের মধ্যেও রয়েছে দ্বিধা ও সিদ্ধান্তহীনতা। কেউ বলছেন ধর্মীয় প্রতারণা থেকে বাঁচতে ধানের শীষে ভোট দেবেন, কেউ চাঁদাবাজি প্রতিরোধে দাঁড়িপাল্লাকে বেছে নিচ্ছেন, আবার কেউ সুন্নিয়তের রাষ্ট্র গঠনের আশায় মোমবাতিতে ভোট দেওয়ার কথা বলছেন।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে ভোটের দিন ব্যালট পেপার হাতে নেওয়ার মুহূর্তে। শেষ পর্যন্ত পটিয়ার নির্বাচনী বল কার জালে ঢুকে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোট গণনার ফলাফল পর্যন্ত।