Hi

০৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নামায অবহেলার ভয়াবহ শাস্তি সম্পর্কে কুরআন-হাদিসভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

নামায না পড়ার শাস্তি কী? কুরআন ও হাদিসের আলোকে ভয়াবহ পরিণতি তুলে ধরলেন হাফিজ মাছুম আহমদ

ঈমানের পর ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামায। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মুসলমানের ওপর নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বর্তমান সমাজে অনেকেই নামাযের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন, যা ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক গুনাহ।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী তার এক আলোচনায় বলেন, কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন— নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা মুমিনদের ওপর ফরজ (সূরা নিসা: ১০৩)। নামায বান্দা ও আল্লাহর মাঝে গভীর সম্পর্ক স্থাপন করে।

তিনি বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ত্যাগ করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, আল্লাহ তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। এটি শিরকের পর সবচেয়ে বড় গুনাহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যারা নামাযকে অবহেলা করে, তাদের জন্য কুরআনে “ওয়াইল” নামক কঠিন শাস্তির ঘোষণা রয়েছে (সূরা মাউন: ৪-৫)। এমনকি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, কিয়ামতের দিন নামায আদায়কারীদের জন্য এটি নূর ও নাজাতের মাধ্যম হবে, আর যারা নামায আদায় করবে না, তারা ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হবে।

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি নামায অস্বীকার করে, তবে সে ঈমান থেকে বেরিয়ে যায়। আর যারা অবহেলা করে, তারা ফাসেক হিসেবে গণ্য হবে এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে।

তিনি সকল মুসলমানকে সময়মতো নামায আদায়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য নামাযের বিকল্প নেই।”

জনপ্রিয়

রামগঞ্জে শিক্ষাব্যবস্থায় সংকট

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

নামায অবহেলার ভয়াবহ শাস্তি সম্পর্কে কুরআন-হাদিসভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

নামায না পড়ার শাস্তি কী? কুরআন ও হাদিসের আলোকে ভয়াবহ পরিণতি তুলে ধরলেন হাফিজ মাছুম আহমদ

আপডেট : ০৫:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ঈমানের পর ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামায। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মুসলমানের ওপর নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বর্তমান সমাজে অনেকেই নামাযের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন, যা ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক গুনাহ।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী তার এক আলোচনায় বলেন, কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন— নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা মুমিনদের ওপর ফরজ (সূরা নিসা: ১০৩)। নামায বান্দা ও আল্লাহর মাঝে গভীর সম্পর্ক স্থাপন করে।

তিনি বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ত্যাগ করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, আল্লাহ তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। এটি শিরকের পর সবচেয়ে বড় গুনাহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যারা নামাযকে অবহেলা করে, তাদের জন্য কুরআনে “ওয়াইল” নামক কঠিন শাস্তির ঘোষণা রয়েছে (সূরা মাউন: ৪-৫)। এমনকি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, কিয়ামতের দিন নামায আদায়কারীদের জন্য এটি নূর ও নাজাতের মাধ্যম হবে, আর যারা নামায আদায় করবে না, তারা ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হবে।

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি নামায অস্বীকার করে, তবে সে ঈমান থেকে বেরিয়ে যায়। আর যারা অবহেলা করে, তারা ফাসেক হিসেবে গণ্য হবে এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে।

তিনি সকল মুসলমানকে সময়মতো নামায আদায়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য নামাযের বিকল্প নেই।”