
গোপালগঞ্জে সরকারি কলেজের একটি ছাত্রাবাসে এক শিক্ষার্থীর ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লিটন উদ্দীন (২৫) নামের ওই শিক্ষার্থী গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের শহীদ মাহাবুব ও শহীদ সন্তোষ ছাত্রাবাসের ৩০৩ নম্বর কক্ষে বসবাস করেন। একই ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী ইয়াছিন শেখ (২৪) ও সোহান শেখ (২৪)সহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ দুপুর ১টার দিকে লিটন উদ্দীন তার কক্ষে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হঠাৎ কক্ষে প্রবেশ করে এবং দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরও তাকে লাথি মেরে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
পরে ছাত্রাবাসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও তার বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় কিছুটা সুস্থ হয়ে লিটন উদ্দীন থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
মোঃ শিহাব উদ্দিন 




















