
রমজানের শুরুতেই পুরান ঢাকার চকবাজারে জমে ওঠে ইফতারের বর্ণিল ভুবন। প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই বাজার শুধু খাবারের জন্য নয়, এটি পুরান ঢাকার ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
জোহরের নামাজের পর থেকেই সরু রাস্তাগুলো ক্রেতাদের ভিড়ে মুখরিত হয়। বড় কড়াইভর্তি টগবগে তেল, ধোঁয়া ওঠা শিক কাবাব, রঙিন শরবতের কাচের জার– সব মিলিয়ে এখানে যেন ইফতারের এক জীবন্ত মঞ্চ।
ইফতারের টেবিলে থাকে হালিম, দইবড়া, সমুচা, বেগুনি, জিলাপি, মিষ্টি হালুয়া ও রঙিন শরবত। বিশেষ আকর্ষণ হলো ‘বড় বাপের পোলায় খায়’– অন্তত ১২-১৫ ধরনের পদে তৈরি বিশেষ ইফতারি। এছাড়া গরুর সুতি কাবাব প্রতি কেজি ১,২০০ টাকা, খাসির কাবাব ১,৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চকবাজারে শুধুমাত্র পুরান ঢাকার বাসিন্দাই নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে ভিড় করেন। এটি রমজানের সামাজিক মিলনমেলার পাশাপাশি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলা ঐতিহ্যের ধারাকে বাঁচিয়ে রাখে।
বাজারের এই প্রাণচাঞ্চল্য প্রমাণ করে, সময়ের পরিবর্তন হলেও চকবাজারের ইফতারের আবেদন অমলিন। আধুনিক ফুড কোর্টের ভিড়েও এখানকার ঐতিহ্যবাহী স্বাদই ক্রেতাদের বারবার টানে।
অনলাইন ডেস্ক 




















