Hi

০৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
অসহায় শিক্ষার্থী, নারী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ১১ বছরের নিরলস সংগ্রাম

রাঙামাটিতে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য উদ্ভাবনী মানবিক কাজের নায়িকা মামুনী চাকমা

পাহাড় থেকে সমতলে—অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মামুনী চাকমা। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশু, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

আর্থিক অনটন সত্ত্বেও থেমে নেই তার এই মহৎ উদ্যোগ। নিজ অর্থায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে যেসব শিশু মূলধারার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, তাদেরকে শিক্ষার আলোয় ফিরিয়ে আনতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মামুনী চাকমা।

শুধু শিক্ষা নয়, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া তার কাজের একটি বড় অংশ।

নারীর ক্ষমতায়নেও কাজ করেছেন মামুনী চাকমা। সেলাই, বুনন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে পাহাড়ি নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে অর্থের অভাবে বর্তমানে এসব কার্যক্রম অনেকটাই থমকে গেছে।

তিনি চান রাঙামাটি জেলার ১০টি উপজেলায় এই মানবিক কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে। পাশাপাশি অসহায় দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ও বেকার যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে।

এই মহৎ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন মামুনী চাকমা। তার বিশ্বাস, সরকারি সহায়তা পেলে পাহাড়ের অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব।

জনপ্রিয়

“কাকে কুলাঙ্গার বললেন?”—রাশেদ প্রধানকে প্রশ্ন অতিরিক্ত আইজিপির

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

অসহায় শিক্ষার্থী, নারী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ১১ বছরের নিরলস সংগ্রাম

রাঙামাটিতে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য উদ্ভাবনী মানবিক কাজের নায়িকা মামুনী চাকমা

আপডেট : ০৭:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

পাহাড় থেকে সমতলে—অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মামুনী চাকমা। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশু, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

আর্থিক অনটন সত্ত্বেও থেমে নেই তার এই মহৎ উদ্যোগ। নিজ অর্থায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে যেসব শিশু মূলধারার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, তাদেরকে শিক্ষার আলোয় ফিরিয়ে আনতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মামুনী চাকমা।

শুধু শিক্ষা নয়, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া তার কাজের একটি বড় অংশ।

নারীর ক্ষমতায়নেও কাজ করেছেন মামুনী চাকমা। সেলাই, বুনন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে পাহাড়ি নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে অর্থের অভাবে বর্তমানে এসব কার্যক্রম অনেকটাই থমকে গেছে।

তিনি চান রাঙামাটি জেলার ১০টি উপজেলায় এই মানবিক কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে। পাশাপাশি অসহায় দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ও বেকার যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে।

এই মহৎ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন মামুনী চাকমা। তার বিশ্বাস, সরকারি সহায়তা পেলে পাহাড়ের অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব।