Hi

১১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জেলা জুড়ে তেলের সংকটে গাড়ির দীর্ঘ সারি, অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে

গোপালগঞ্জে তেল সংকট: পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ সারি, অ্যাম্বুলেন্স ও পরিবহন ভোগান্তিতে

গোপালগঞ্জ জেলা সম্প্রতি জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। গত দুইদিন ধরে জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না থাকায় গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং অস্বাভাবিক ভিড় দেখা দিয়েছে। এই সংকটের কারণে জরুরি সেবায় নিয়োজিত অ্যাম্বুলেন্স চালক, পরিবহন মালিক ও সাধারণ যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জেলার বেশ কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার এবং মাইক্রোবাসসহ শত শত যানবাহন তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছে। অনেক পাম্পে তেল শেষ হওয়ায় সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তেলের সীমিত পরিমাণ দেওয়ায় অনেকে মাঝপথে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

পাম্প মালিকদের বরাতে জানা গেছে, গত দুইদিন ধরে জেলায় তেলের সরবরাহ কমে গেছে। বর্তমানে গাড়িপ্রতি সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল বিক্রি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী রবিবারের মধ্যে সংকট আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

অ্যাম্বুলেন্স চালকরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। একজন চালক বলেন, “মুমূর্ষু রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য তেলের অভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে, কিন্তু সামান্য তেলই পাওয়া যাচ্ছে।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ও জরুরি সেবা প্রদান মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে।

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে আবেদনের সময় বাড়ল

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

জেলা জুড়ে তেলের সংকটে গাড়ির দীর্ঘ সারি, অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে

গোপালগঞ্জে তেল সংকট: পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ সারি, অ্যাম্বুলেন্স ও পরিবহন ভোগান্তিতে

আপডেট : ০৭:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ জেলা সম্প্রতি জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। গত দুইদিন ধরে জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না থাকায় গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং অস্বাভাবিক ভিড় দেখা দিয়েছে। এই সংকটের কারণে জরুরি সেবায় নিয়োজিত অ্যাম্বুলেন্স চালক, পরিবহন মালিক ও সাধারণ যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জেলার বেশ কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার এবং মাইক্রোবাসসহ শত শত যানবাহন তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছে। অনেক পাম্পে তেল শেষ হওয়ায় সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তেলের সীমিত পরিমাণ দেওয়ায় অনেকে মাঝপথে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

পাম্প মালিকদের বরাতে জানা গেছে, গত দুইদিন ধরে জেলায় তেলের সরবরাহ কমে গেছে। বর্তমানে গাড়িপ্রতি সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল বিক্রি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী রবিবারের মধ্যে সংকট আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

অ্যাম্বুলেন্স চালকরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। একজন চালক বলেন, “মুমূর্ষু রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য তেলের অভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে, কিন্তু সামান্য তেলই পাওয়া যাচ্ছে।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ও জরুরি সেবা প্রদান মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে।