Hi

১১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসম্ভব, এ দেশে আর না’ পলাতক হাসিনা-হাছানের ফোনালাপ

বিশেষ প্রতিনিধি | ভারতে পালিয়ে থাকা স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ও সাবেক সদস্য তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। ফোনালাপে হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কিন্তু থাকবো না, অসম্ভব, এ দেশে আর না।’
আজ শনিবার (২২ নভেম্বর) সোশ্যাল মিডিয়ায় ফোনালাপটি ফাঁস হয়। হেলাল উদ্দিন নামে এক সাংবাদিক ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এই ফোনালাপ প্রকাশ করেন।

হেলাল উদ্দিনের পোস্টটি ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।

ফোনালাপে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি কারফিউ-টারফিউ দিলাম…। আমি কিন্তু ঠিক করছিলাম রাষ্ট্রপতির কাছে যাব… লিখে-টিকে (পদত্যাগপত্র) সব রেডি করছি… কারণ এভাবে মানুষ মাইরা থাকার কোনো মানে হয় না।’’
এসময় হাছান মাহমুদকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ইমার্জেন্সি দেন।’’

জবাবে হাসিনা বলেন, ‘‘ইমার্জেন্সি দিয়ে লাভ হবে কী? যেটুকু রুল ওই টুকুই তো… এর বেশি হয় না। এই জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে (পদত্যাগপত্র) দিয়ে আসলে… তারা যা কিছু করার করুক। কারণ এভাবে আর সম্ভব না। বলছি… ২৪ ঘণ্টা সময় নিতে… দেখা যাক কী করে…। আমি বলেছি… আমি কিন্তু থাকবো না, অসম্ভব, এ দেশে আর না।’’

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

অসম্ভব, এ দেশে আর না’ পলাতক হাসিনা-হাছানের ফোনালাপ

আপডেট : ০৩:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি | ভারতে পালিয়ে থাকা স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ও সাবেক সদস্য তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। ফোনালাপে হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কিন্তু থাকবো না, অসম্ভব, এ দেশে আর না।’
আজ শনিবার (২২ নভেম্বর) সোশ্যাল মিডিয়ায় ফোনালাপটি ফাঁস হয়। হেলাল উদ্দিন নামে এক সাংবাদিক ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এই ফোনালাপ প্রকাশ করেন।

হেলাল উদ্দিনের পোস্টটি ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।

ফোনালাপে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি কারফিউ-টারফিউ দিলাম…। আমি কিন্তু ঠিক করছিলাম রাষ্ট্রপতির কাছে যাব… লিখে-টিকে (পদত্যাগপত্র) সব রেডি করছি… কারণ এভাবে মানুষ মাইরা থাকার কোনো মানে হয় না।’’
এসময় হাছান মাহমুদকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ইমার্জেন্সি দেন।’’

জবাবে হাসিনা বলেন, ‘‘ইমার্জেন্সি দিয়ে লাভ হবে কী? যেটুকু রুল ওই টুকুই তো… এর বেশি হয় না। এই জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে (পদত্যাগপত্র) দিয়ে আসলে… তারা যা কিছু করার করুক। কারণ এভাবে আর সম্ভব না। বলছি… ২৪ ঘণ্টা সময় নিতে… দেখা যাক কী করে…। আমি বলেছি… আমি কিন্তু থাকবো না, অসম্ভব, এ দেশে আর না।’’