
নিজস্ব প্রতিবেদক | জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর)। এ রায় ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সকাল ৯টার দিকে এই মামলার রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।


দেশের ইতিহাসে কোনো প্রধানমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রথমবারের মতো বিচার শেষে সাজার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। আর এ রায় ঘিরে দেশ-বিদেশের মানুষের দৃষ্টি এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দিকে।
শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গেট ও আশেপাশের এলাকায় রোববার (১৬ নভেম্বর) থেকেই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে পুলিশ-র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে সেনাবাহিনী। গত ১৩ নভেম্বর রায়ের দিন ঠিক করার আগে থেকেই তৎপর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও।

এরই মধ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষা ভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সীমিত করা হয়েছে পথচারীদের চলাচল।
সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে ট্রাইব্যুনাল এলাকা সবখানে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্যদের কড়া অবস্থান চোখে পড়ছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যা-সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঐতিহাসিক রায় ঘিরে সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল ও আশপাশের এলাকা নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আশপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর পাহারায় রয়েছেন। মাজার গেটের সামনে সেনা সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে পুলিশের পাশাপাশি র্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।
এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গেট দিয়ে ঢোকার সময় চেক করা হচ্ছে।
রিপোর্টার নাম: 















