Hi

০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবির হল ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন দাগনভূঞার ইউএনও শাহীদুল, দাবি সূত্রের

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৩২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ জন দেখেছে

দাগনভূঞা প্রতিনিধি: ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ. এফ. রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে দাবি করেছে একটি সূত্র।

সূত্রটির দাবি অনুযায়ী, ২০০৯–২০১০ সালে তিনি হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তবে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সময়ের সাংগঠনিক নথি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ড এবং নির্ভরযোগ্য অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

এদিকে, দাগনভূঞার ইউএনও শাহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিতর্ক ও দুর্নীতিসংক্রান্ত যেসব অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

জনস্বার্থে সরকারি কর্মকর্তাদের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড এবং তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ। তবে যাচাই ছাড়া কোনো অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা সমীচীন নয়।

মুন্সিরহাট ইউপি নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হতে চান আলাউদ্দিন মজুমদার বাবু

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

ঢাবির হল ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন দাগনভূঞার ইউএনও শাহীদুল, দাবি সূত্রের

আপডেট : ১০:৩২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

দাগনভূঞা প্রতিনিধি: ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ. এফ. রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে দাবি করেছে একটি সূত্র।

সূত্রটির দাবি অনুযায়ী, ২০০৯–২০১০ সালে তিনি হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তবে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সময়ের সাংগঠনিক নথি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ড এবং নির্ভরযোগ্য অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

এদিকে, দাগনভূঞার ইউএনও শাহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিতর্ক ও দুর্নীতিসংক্রান্ত যেসব অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

জনস্বার্থে সরকারি কর্মকর্তাদের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড এবং তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ। তবে যাচাই ছাড়া কোনো অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা সমীচীন নয়।