Hi

০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রবেশমুখে ইজারাবিহীন পার্কিং, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার!

  • জিয়া উদ্দিন
  • আপডেট : ১১:৫৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৭ জন দেখেছে

জিয়া উদ্দিন, ফেনী: ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রধান প্রবেশমুখে রেলওয়ের সরকারি জায়গা দীর্ঘদিন ধরে ইজারা ছাড়াই পার্কিং হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথজুড়ে অর্ধশতাধিক মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার পার্কিং করা হলেও এ কার্যক্রমের বৈধতা, সরকারি রাজস্ব আদায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পার্কিং কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় দায়িত্বশীল দপ্তরগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রধান প্রবেশমুখে সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে বিভিন্ন সময়ে মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার পার্কিং করে রাখা হচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরেই জায়গাটি গাড়ি রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ইজারা না নিয়েই সরকারি জায়গায় এ পার্কিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তবে কারা এ পার্কিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন কি না এবং গাড়ি পার্কিংয়ের বিনিময়ে কোনো অর্থ আদায় করা হচ্ছে কি এসব প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

ফেনী রেলওয়ে সেকশনের কানুনগো বিপ্লব কুমার রায় এবং কানুনগো বিভাগের আমিন সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যে জায়গাটি বর্তমানে ইজারাবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে পার্কিং কার্যক্রমের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তাঁরা অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে কানুনগো বিপ্লব কুমার রায় বলেন, জায়গাটি ইজারা দেওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কানুনগো বিভাগের আমিন সালাহ উদ্দিন জানান, জায়গাটি বর্তমানে ইজারাবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। টেন্ডারের মাধ্যমে জায়গাটি ইজারা দেওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, জায়গাটি ইজারাবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত হয়ে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির বাইরে থাকল কীভাবে?

স্টেশনের প্রধান প্রবেশমুখে নিয়মিত গাড়ি পার্কিংয়ের মতো দৃশ্যমান কার্যক্রম চললেও কেন আগে থেকেই বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি জায়গাটির সীমানা, ব্যবহারের অনুমোদন, পার্কিং কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা যাচাই করাও জরুরি।

অভিযোগ রয়েছে, ফেনী ভয়েস 24 অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তৎপরতা দেখা যায়। এরপর জায়গাটি ইজারার আওতায় আনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর কথা জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সরকারি সম্পত্তি যথাযথ নিয়মে ইজারা দেওয়া হলে তা থেকে রাজস্ব আদায়ের সুযোগ থাকে। কিন্তু কোনো জায়গা দীর্ঘদিন ইজারাবিহীনভাবে ব্যবহৃত হলে সেখানে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা কার্যকর ছিল কি না, তা যাচাই করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য জায়গাটির আয়তন, অনুমোদিত ব্যবহার, প্রযোজ্য ইজারামূল্য এবং কত দিন ধরে এটি এভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এসব তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

এখন মূল প্রশ্ন, জায়গাটি ইজারার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা যদি কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় থাকে, তাহলে এত দিন তা কার্যকর করা হয়নি কেন? নিয়মিত তদারকি ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণের দায়িত্ব কোন দপ্তর বা কর্মকর্তার ওপর ছিল? পার্কিং কার্যক্রমের সঙ্গে কারা জড়িত এবং এর মাধ্যমে কোনো অর্থ আদায় হয়ে থাকলে সেই অর্থের হিসাব কোথায়?
এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট নথি, ইজারা-সংক্রান্ত রেকর্ড, রাজস্ব আদায়ের হিসাব এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রবেশমুখে পরিকল্পিত ও নিয়মতান্ত্রিক পার্কিং ব্যবস্থা চালু হলে একদিকে যাত্রীদের চলাচল সহজ হতে পারে, অন্যদিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সরকারি রাজস্ব আদায়ও নিশ্চিত করা সম্ভব। তবে এ জন্য নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ, স্বচ্ছ ইজারা প্রক্রিয়া এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।

রেলওয়ের জায়গা রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এ সম্পদের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রবেশমুখে দীর্ঘদিন ধরে চলা ইজারাবিহীন পার্কিংয়ের অভিযোগের সুষ্ঠু যাচাই, দায়দায়িত্ব নির্ধারণ এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

এখন দেখার বিষয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর পর জায়গাটি ইজারার আওতায় আনতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিনের এই ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে দেয়।

ধর্মপাশা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীকে বিদায় সংবর্ধনা

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রবেশমুখে ইজারাবিহীন পার্কিং, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার!

আপডেট : ১১:৫৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

জিয়া উদ্দিন, ফেনী: ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রধান প্রবেশমুখে রেলওয়ের সরকারি জায়গা দীর্ঘদিন ধরে ইজারা ছাড়াই পার্কিং হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথজুড়ে অর্ধশতাধিক মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার পার্কিং করা হলেও এ কার্যক্রমের বৈধতা, সরকারি রাজস্ব আদায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পার্কিং কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় দায়িত্বশীল দপ্তরগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রধান প্রবেশমুখে সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে বিভিন্ন সময়ে মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার পার্কিং করে রাখা হচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরেই জায়গাটি গাড়ি রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ইজারা না নিয়েই সরকারি জায়গায় এ পার্কিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তবে কারা এ পার্কিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন কি না এবং গাড়ি পার্কিংয়ের বিনিময়ে কোনো অর্থ আদায় করা হচ্ছে কি এসব প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

ফেনী রেলওয়ে সেকশনের কানুনগো বিপ্লব কুমার রায় এবং কানুনগো বিভাগের আমিন সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যে জায়গাটি বর্তমানে ইজারাবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে পার্কিং কার্যক্রমের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তাঁরা অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে কানুনগো বিপ্লব কুমার রায় বলেন, জায়গাটি ইজারা দেওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কানুনগো বিভাগের আমিন সালাহ উদ্দিন জানান, জায়গাটি বর্তমানে ইজারাবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। টেন্ডারের মাধ্যমে জায়গাটি ইজারা দেওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, জায়গাটি ইজারাবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত হয়ে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির বাইরে থাকল কীভাবে?

স্টেশনের প্রধান প্রবেশমুখে নিয়মিত গাড়ি পার্কিংয়ের মতো দৃশ্যমান কার্যক্রম চললেও কেন আগে থেকেই বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি জায়গাটির সীমানা, ব্যবহারের অনুমোদন, পার্কিং কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা যাচাই করাও জরুরি।

অভিযোগ রয়েছে, ফেনী ভয়েস 24 অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তৎপরতা দেখা যায়। এরপর জায়গাটি ইজারার আওতায় আনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর কথা জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সরকারি সম্পত্তি যথাযথ নিয়মে ইজারা দেওয়া হলে তা থেকে রাজস্ব আদায়ের সুযোগ থাকে। কিন্তু কোনো জায়গা দীর্ঘদিন ইজারাবিহীনভাবে ব্যবহৃত হলে সেখানে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা কার্যকর ছিল কি না, তা যাচাই করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য জায়গাটির আয়তন, অনুমোদিত ব্যবহার, প্রযোজ্য ইজারামূল্য এবং কত দিন ধরে এটি এভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এসব তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

এখন মূল প্রশ্ন, জায়গাটি ইজারার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা যদি কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় থাকে, তাহলে এত দিন তা কার্যকর করা হয়নি কেন? নিয়মিত তদারকি ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণের দায়িত্ব কোন দপ্তর বা কর্মকর্তার ওপর ছিল? পার্কিং কার্যক্রমের সঙ্গে কারা জড়িত এবং এর মাধ্যমে কোনো অর্থ আদায় হয়ে থাকলে সেই অর্থের হিসাব কোথায়?
এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট নথি, ইজারা-সংক্রান্ত রেকর্ড, রাজস্ব আদায়ের হিসাব এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রবেশমুখে পরিকল্পিত ও নিয়মতান্ত্রিক পার্কিং ব্যবস্থা চালু হলে একদিকে যাত্রীদের চলাচল সহজ হতে পারে, অন্যদিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সরকারি রাজস্ব আদায়ও নিশ্চিত করা সম্ভব। তবে এ জন্য নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ, স্বচ্ছ ইজারা প্রক্রিয়া এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।

রেলওয়ের জায়গা রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এ সম্পদের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই ফেনী রেলওয়ে জংশনের প্রবেশমুখে দীর্ঘদিন ধরে চলা ইজারাবিহীন পার্কিংয়ের অভিযোগের সুষ্ঠু যাচাই, দায়দায়িত্ব নির্ধারণ এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

এখন দেখার বিষয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর পর জায়গাটি ইজারার আওতায় আনতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিনের এই ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে দেয়।