
ডাংঙ্গা ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে হাজ্বী শফিকুল ইসলাম স্বপনকে ঘিরে জনসমর্থন ও আলোচনার পরিধি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পলাশ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং মরহুম সুলতান আহমদ সূর্য্যের সন্তান হাজ্বী শফিকুল ইসলাম স্বপন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করছেন বলে জানা যায়।
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় উন্নয়নমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আসছেন। বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন বলেও স্থানীয়রা জানান।
রাজনৈতিক জীবনে নানা চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যেও তিনি মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা উল্লেখ করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি এলাকায় একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই মনে করেন স্বপনের সাথে জনগণের সরাসরি যোগাযোগ ও দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে। কাজৈর গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ বলেন, “বিপদে-আপদে যাকে সবসময় কাছে পাওয়া যায়, আমরা তাকেই চাই।”
অন্যদিকে গালিমপুর গ্রামের মোস্তফা জানান, দলীয় রাজনীতির বাইরেও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, আর সে জায়গায় স্বপনের অবস্থান শক্ত বলে তিনি মনে করেন।
ডাশপাড়া এলাকার গ্রাম্য চিকিৎসক বোরহান উদ্দিন বলেন, মরহুম সুলতান আহমদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় জনগণের আস্থা রয়েছে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজ্বী শফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ডাংঙ্গা ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজি ও বাল্যবিবাহমুক্ত একটি আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও সমর্থনই তার প্রধান শক্তি এবং উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনে তার প্রার্থিতা ও জনসমর্থন নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে পারে।
মোঃ মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার 









