Hi

০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
উচ্ছেদের পরও ফের দখল: গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ সড়কে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ

গোপালগঞ্জে উচ্ছেদের পরও অবৈধ দোকান, ব্যাহত জরুরি সেবা

গোপালগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি আবারও অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনার দখলে চলে গেছে। সম্প্রতি কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুদিনের মধ্যে সড়কের দুই পাশে অস্থায়ী দোকান গড়ে ওঠেছে। ফলে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি রোগী পরিবহনে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব তৈরি হচ্ছে, যা জীবনহানির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

এই সড়কটি গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। প্রতিদিন রোগীদের স্ট্রেচার বা অ্যাম্বুলেন্সে এক ভবন থেকে অন্য ভবনে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু দোকানপাট ও ফুটপাতে স্থাপনার কারণে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আগে পাঁচ মিনিটের পথ বর্তমানে ১০–১৫ মিনিটে পাড়ি দিতে হচ্ছে। ফলে জরুরি মুহূর্তে রোগীর জন্য জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, চার লেনে সড়ক সংস্কার ও নিয়মিত নজরদারি চালালে এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করান, কেবল উচ্ছেদই যথেষ্ট নয়; নিয়মিত তদারকি, কঠোর আইন প্রয়োগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নতুবা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

জনপ্রিয়

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে আবেদনের সময় বাড়ল

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

উচ্ছেদের পরও ফের দখল: গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ সড়কে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ

গোপালগঞ্জে উচ্ছেদের পরও অবৈধ দোকান, ব্যাহত জরুরি সেবা

আপডেট : ০৮:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি আবারও অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনার দখলে চলে গেছে। সম্প্রতি কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুদিনের মধ্যে সড়কের দুই পাশে অস্থায়ী দোকান গড়ে ওঠেছে। ফলে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি রোগী পরিবহনে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব তৈরি হচ্ছে, যা জীবনহানির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

এই সড়কটি গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। প্রতিদিন রোগীদের স্ট্রেচার বা অ্যাম্বুলেন্সে এক ভবন থেকে অন্য ভবনে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু দোকানপাট ও ফুটপাতে স্থাপনার কারণে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আগে পাঁচ মিনিটের পথ বর্তমানে ১০–১৫ মিনিটে পাড়ি দিতে হচ্ছে। ফলে জরুরি মুহূর্তে রোগীর জন্য জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, চার লেনে সড়ক সংস্কার ও নিয়মিত নজরদারি চালালে এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করান, কেবল উচ্ছেদই যথেষ্ট নয়; নিয়মিত তদারকি, কঠোর আইন প্রয়োগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নতুবা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।