Hi

০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটক হেনস্থা: ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে সোচ্চার পিসিসিপি

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৭:২৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১১ জন দেখেছে

মেহেদী হাসান, রাঙামাটি | রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটকদের মোবাইল ছিনতাই, হেনস্থা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে রাঙামাটি শহরের কাঠালতলী মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বনরূপা চত্বরে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য (পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক) মো. হাবীব আজম, পিসিএনপির রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, সহ-সভাপতি কাজী জালোয়া, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নূর হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফুরমোন পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকরা প্রতিনিয়ত ইউপিডিএফের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হাতে অপদস্থ হচ্ছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি, হেনস্থা এমনকি অপহরণের মতো ঘটনাও ঘটছে বলে তারা দাবি করেন। এতে করে পর্যটকদের কাছে রাঙামাটি এখন আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে।

তারা বলেন, ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা অবৈধভাবে ফুরমোন পাহাড় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পর্যটকদের চলাচলে বাধা দিচ্ছে। তল্লাশির নামে মোবাইল ছিনতাই, মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং নারী পর্যটকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ভয়ের কারণে অনেক ভুক্তভোগী মুখ না খুললেও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।

ভুক্তভোগী পর্যটক সুমন বলেন, “ফুরমোন পাহাড় থেকে পুরো রাঙামাটি শহর এক নজরে দেখা যায়। এমন একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটে দিনের আলোয় অস্ত্রধারীদের অবাধ বিচরণ আমাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি ও পর্যটন শিল্প রক্ষায় অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র সন্ত্রাসমুক্ত করার দাবিও জানান তারা।

সমাবেশ থেকে পিসিসিপির নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ও বিশেষ যৌথ অভিযান চালানো না হলে পর্যটন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা ব্যাহত হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটক হেনস্থা: ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে সোচ্চার পিসিসিপি

আপডেট : ০৭:২৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

মেহেদী হাসান, রাঙামাটি | রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটকদের মোবাইল ছিনতাই, হেনস্থা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে রাঙামাটি শহরের কাঠালতলী মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বনরূপা চত্বরে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য (পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক) মো. হাবীব আজম, পিসিএনপির রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, সহ-সভাপতি কাজী জালোয়া, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নূর হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফুরমোন পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকরা প্রতিনিয়ত ইউপিডিএফের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হাতে অপদস্থ হচ্ছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি, হেনস্থা এমনকি অপহরণের মতো ঘটনাও ঘটছে বলে তারা দাবি করেন। এতে করে পর্যটকদের কাছে রাঙামাটি এখন আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে।

তারা বলেন, ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা অবৈধভাবে ফুরমোন পাহাড় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পর্যটকদের চলাচলে বাধা দিচ্ছে। তল্লাশির নামে মোবাইল ছিনতাই, মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং নারী পর্যটকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ভয়ের কারণে অনেক ভুক্তভোগী মুখ না খুললেও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।

ভুক্তভোগী পর্যটক সুমন বলেন, “ফুরমোন পাহাড় থেকে পুরো রাঙামাটি শহর এক নজরে দেখা যায়। এমন একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটে দিনের আলোয় অস্ত্রধারীদের অবাধ বিচরণ আমাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি ও পর্যটন শিল্প রক্ষায় অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র সন্ত্রাসমুক্ত করার দাবিও জানান তারা।

সমাবেশ থেকে পিসিসিপির নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ও বিশেষ যৌথ অভিযান চালানো না হলে পর্যটন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা ব্যাহত হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।