Hi

১১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না সবজির

খুলনা প্রতিনিধি | খুলনার বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লেও কমেনি সবজির দাম। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না অধিকাংশ সবজি। অন্যদিকে পেঁয়াজের দামও বেড়েছে ৪০-৫০ টাকা কেজিতে।
রোববার (৯ নভেম্বর) খুলনার নতুন বাজার, নিউ মার্কেট ও খালিশপুর বাজার ঘুরে এমনটা জানা যায়।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৬০-৭০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা, পটোল ৪০-৫০ টাকা, লালশাক ২৫-৩০ টাকা, পালংশাক ২৫-৩০ টাকা, লাউ শাক ৪০-৫০ টাকা কেজি, কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা পিচ দরে, টমেটো ৮০-১০০ টাকা কেজি, শিম ৭০-৮০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে, কাঁচামরিচ মানভেদে ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ১১০-১৩০ টাকা দরে এবং রসুন ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা কেজি দরে, সোনালি ২৫০ টাকা কেজি দরে এবং লেয়ার ২৬০-২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই আকারভেদে ২৫০-৩০০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৬০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৬০-১৮০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা দরে, পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা, কাতল ২৪০-২৬০ টাকা কেজি এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিউ মার্কেট বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইনছান মোল্যা জানান, অনেক সবজির দাম বাড়তি ছিল। নতুন সবজি বাজারে আসায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। তবে শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে দাম আরো নাগালে আসবে। আর পেঁয়াজের আমদানি কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনে দাম আরো বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেন।

নিউ মার্কেট বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজমল শেখ বলেন, মাছের দাম অনেকটা কম রয়েছে। চাষের মাছের দাম বরাবর বেশী। তবে সামুদ্রিক মাছের ঘাটতি নেই বাজারে।

বাজারে আসা জলিল শেখ বলেন, সবজি আর মাছের দাম অনেকটা বাড়তি। বাজারে গেলো কয়েক মাস সবজির লাগাম ছাড়া দাম। ১০০ টাকায় আগে তিন চার পদ সবজি হতো। এখন দুই পদের সবজি পাওয়াই কষ্ট।

অন্য একজন ক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে সব কিছুর দাম নাগালে থাকতো। সবজির দাম লাগামহীন হওয়া মানে একটা বাজারের বিপর্যস্ত অবস্থা আর বলা লাগে না। অন্যদিকে পেঁয়াজের দামও অনেক বেড়েছে। বাজার মনিটরিং করে সবকিছুর দাম নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
বিজ্ঞাপন

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

খুলনায় সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না সবজির

আপডেট : ১২:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

খুলনা প্রতিনিধি | খুলনার বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লেও কমেনি সবজির দাম। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না অধিকাংশ সবজি। অন্যদিকে পেঁয়াজের দামও বেড়েছে ৪০-৫০ টাকা কেজিতে।
রোববার (৯ নভেম্বর) খুলনার নতুন বাজার, নিউ মার্কেট ও খালিশপুর বাজার ঘুরে এমনটা জানা যায়।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৬০-৭০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা, পটোল ৪০-৫০ টাকা, লালশাক ২৫-৩০ টাকা, পালংশাক ২৫-৩০ টাকা, লাউ শাক ৪০-৫০ টাকা কেজি, কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা পিচ দরে, টমেটো ৮০-১০০ টাকা কেজি, শিম ৭০-৮০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে, কাঁচামরিচ মানভেদে ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ১১০-১৩০ টাকা দরে এবং রসুন ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা কেজি দরে, সোনালি ২৫০ টাকা কেজি দরে এবং লেয়ার ২৬০-২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই আকারভেদে ২৫০-৩০০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৬০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৬০-১৮০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা দরে, পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা, কাতল ২৪০-২৬০ টাকা কেজি এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিউ মার্কেট বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইনছান মোল্যা জানান, অনেক সবজির দাম বাড়তি ছিল। নতুন সবজি বাজারে আসায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। তবে শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে দাম আরো নাগালে আসবে। আর পেঁয়াজের আমদানি কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনে দাম আরো বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেন।

নিউ মার্কেট বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজমল শেখ বলেন, মাছের দাম অনেকটা কম রয়েছে। চাষের মাছের দাম বরাবর বেশী। তবে সামুদ্রিক মাছের ঘাটতি নেই বাজারে।

বাজারে আসা জলিল শেখ বলেন, সবজি আর মাছের দাম অনেকটা বাড়তি। বাজারে গেলো কয়েক মাস সবজির লাগাম ছাড়া দাম। ১০০ টাকায় আগে তিন চার পদ সবজি হতো। এখন দুই পদের সবজি পাওয়াই কষ্ট।

অন্য একজন ক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে সব কিছুর দাম নাগালে থাকতো। সবজির দাম লাগামহীন হওয়া মানে একটা বাজারের বিপর্যস্ত অবস্থা আর বলা লাগে না। অন্যদিকে পেঁয়াজের দামও অনেক বেড়েছে। বাজার মনিটরিং করে সবকিছুর দাম নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
বিজ্ঞাপন