Hi

১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতাদের হাতে ১০ মাসে ১২৩ খুন, ভিন্নমত পোষণ করেছেন মির্জা ফখরুল

ফেনী ভয়েস ডেস্ক | আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৭ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত ১০ মাসে বিএনপি নেতাদের হাতে ১২৩ জন খুন হয়েছে—এমন অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা। তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিযোগের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে ওই সময়কালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হত্যাকাণ্ডের খবরের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন, যা যুক্তরাজ্যভিত্তিক পত্রিকা বাংলা আউটলুকের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১০ মাসে ১২৩ হত্যাকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অন্তত ২১টি ঘটনায় বিতর্কিতভাবে বিএনপির নাম এসেছে। এছাড়া, হত্যাকাণ্ডের খবরগুলোতে দেখা গেছে, দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আধিপত্য বিস্তার, লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ও এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বের কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি রাজনৈতিক স্বার্থে বা দলীয় কারণে খুন করেছেন—এমন তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয়নি; শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয় উঠে এসেছে।

বিএনপি মহাসচিবের পোস্টটি তুলে ধরা হলো—

‘ফেসবুক পোস্টে মির্জা ফখরুলের ভিন্নমত পোষণ গত ১০ মাসে সারা দেশে ১২৩ খুন হয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৭ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত এসব খুন হয়েছে এবং বিএনপি নেতাদের হাতেই তারা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা।’

‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চলতে দেখা গেছে। এনসিপি নেতাদের দাবি, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে গণমাধ্যমে ৭ আগস্ট থেকে ৭ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত হত্যাকাণ্ডের খবর বাংলা আউটলুক বিশ্লেষণ করে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একজন গবেষক ও সাংবাদিকের সহায়তায় করা এই বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসে নতুন তথ্য।’

ফেনী ভয়েস ২৪ সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন

‘গত ১০ মাসে ১২৩ হত্যাকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অন্তত ২১টি ঘটনায় বিতর্কিতভাবে বিএনপির নাম এসেছে। এছাড়া, হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশিত খবরগুলোতে দেখা গেছে, দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আধিপত্য বিস্তার, লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ও এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বের কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি রাজনৈতিক স্বার্থে বা দলীয় কারণে খুন করেছেন—এমন তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়নি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয় উঠে এসেছে।’

‘যেভাবে হত্যার ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নিহতের ঘটনাগুলোর মধ্যে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, আধিপত্য বিস্তার, ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ এবং ডাকাতি সংশ্লিষ্ট ঘটনায় এক পক্ষের হামলায় আরেক পক্ষের লোকজন নিহত হয়েছেন।’

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

বিএনপি নেতাদের হাতে ১০ মাসে ১২৩ খুন, ভিন্নমত পোষণ করেছেন মির্জা ফখরুল

আপডেট : ০৬:৫৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

ফেনী ভয়েস ডেস্ক | আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৭ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত ১০ মাসে বিএনপি নেতাদের হাতে ১২৩ জন খুন হয়েছে—এমন অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা। তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিযোগের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে ওই সময়কালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হত্যাকাণ্ডের খবরের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন, যা যুক্তরাজ্যভিত্তিক পত্রিকা বাংলা আউটলুকের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১০ মাসে ১২৩ হত্যাকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অন্তত ২১টি ঘটনায় বিতর্কিতভাবে বিএনপির নাম এসেছে। এছাড়া, হত্যাকাণ্ডের খবরগুলোতে দেখা গেছে, দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আধিপত্য বিস্তার, লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ও এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বের কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি রাজনৈতিক স্বার্থে বা দলীয় কারণে খুন করেছেন—এমন তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয়নি; শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয় উঠে এসেছে।

বিএনপি মহাসচিবের পোস্টটি তুলে ধরা হলো—

‘ফেসবুক পোস্টে মির্জা ফখরুলের ভিন্নমত পোষণ গত ১০ মাসে সারা দেশে ১২৩ খুন হয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৭ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত এসব খুন হয়েছে এবং বিএনপি নেতাদের হাতেই তারা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা।’

‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চলতে দেখা গেছে। এনসিপি নেতাদের দাবি, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে গণমাধ্যমে ৭ আগস্ট থেকে ৭ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত হত্যাকাণ্ডের খবর বাংলা আউটলুক বিশ্লেষণ করে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একজন গবেষক ও সাংবাদিকের সহায়তায় করা এই বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসে নতুন তথ্য।’

ফেনী ভয়েস ২৪ সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন

‘গত ১০ মাসে ১২৩ হত্যাকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অন্তত ২১টি ঘটনায় বিতর্কিতভাবে বিএনপির নাম এসেছে। এছাড়া, হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশিত খবরগুলোতে দেখা গেছে, দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আধিপত্য বিস্তার, লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ও এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বের কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি রাজনৈতিক স্বার্থে বা দলীয় কারণে খুন করেছেন—এমন তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়নি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয় উঠে এসেছে।’

‘যেভাবে হত্যার ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নিহতের ঘটনাগুলোর মধ্যে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, আধিপত্য বিস্তার, ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ এবং ডাকাতি সংশ্লিষ্ট ঘটনায় এক পক্ষের হামলায় আরেক পক্ষের লোকজন নিহত হয়েছেন।’