Hi

১০:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে প্রায় ১০০ খুন করে ওসি প্রদীপ: ডা. শাহাদাত হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি | বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন ডিবিসি নিউজের একটি টকশোতে নিজের কারাবাস, তৎকালীন পরিস্থিতি এবং ওসি প্রদীপের সঙ্গে জেলে অবস্থানকালের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, “মেহেদীর কথা নিশ্চয় মনে আছে। ওই যে ডিসি মেহেদী, পুলিশ উপকমিশনার। তখন সে চিটাগং ছিল। সে পুরা আমার হসপিটালটা ঘেরাও করে আমাকে বিকাল পাঁচটা নাগাদ রোগী দেখা অবস্থায় ধরে নিয়ে গেল। এরপর আমি প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস জেলে ছিলাম। ঈদুল ফিতর তখন জেলেই কাটাতে হয়।”

ডা. শাহাদাত জানান, “জেলে আমাকে রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে ডিভিশন দেওয়া হয়। আমি ছিলাম তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি রুমের একটিতে। অন্য রুমে ছিল খ্যাতিমান কেডিএস গ্রুপের মালিক খলিল সাহেবের ছেলে ইয়াসিন, এবং আরেক রুমে ছিল ওসি প্রদীপ।”
তিনি বলেন, “প্রদীপের সাথে কেউ কথা বলতো না। একদিন আমাকে ডেকে কাঁদতে কাঁদতে বললো, ‘শাহাদাত ভাই, আমার সাথে কেউ কথা বলে না। একটু কথা বলেন।’ আমি জানতে চাইলাম, কেন? তখন ইয়াসিন বলে উঠল, ‘ভাইয়ের সাথে কথা বলবেন না, সে খুনি। সে অনেক খুন করেছে, ১০০টার উপরে।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুমি কয়টা খুন করেছো?’ সে উত্তর দিল, ‘১০০টার মতো হবে।’ এরপর সে বলল, ‘এই খুনটা তো আমি করতে পারি না। আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ইন্সট্রাকশন দেন কিভাবে খুনটা করব।’”

ডা. শাহাদাত বলেন, “এটা ১৬ বছরের রাজনীতির ইতিহাসের সামান্য একটি অংশ মাত্র।”

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে প্রায় ১০০ খুন করে ওসি প্রদীপ: ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট : ০৭:১৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি | বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন ডিবিসি নিউজের একটি টকশোতে নিজের কারাবাস, তৎকালীন পরিস্থিতি এবং ওসি প্রদীপের সঙ্গে জেলে অবস্থানকালের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, “মেহেদীর কথা নিশ্চয় মনে আছে। ওই যে ডিসি মেহেদী, পুলিশ উপকমিশনার। তখন সে চিটাগং ছিল। সে পুরা আমার হসপিটালটা ঘেরাও করে আমাকে বিকাল পাঁচটা নাগাদ রোগী দেখা অবস্থায় ধরে নিয়ে গেল। এরপর আমি প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস জেলে ছিলাম। ঈদুল ফিতর তখন জেলেই কাটাতে হয়।”

ডা. শাহাদাত জানান, “জেলে আমাকে রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে ডিভিশন দেওয়া হয়। আমি ছিলাম তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি রুমের একটিতে। অন্য রুমে ছিল খ্যাতিমান কেডিএস গ্রুপের মালিক খলিল সাহেবের ছেলে ইয়াসিন, এবং আরেক রুমে ছিল ওসি প্রদীপ।”
তিনি বলেন, “প্রদীপের সাথে কেউ কথা বলতো না। একদিন আমাকে ডেকে কাঁদতে কাঁদতে বললো, ‘শাহাদাত ভাই, আমার সাথে কেউ কথা বলে না। একটু কথা বলেন।’ আমি জানতে চাইলাম, কেন? তখন ইয়াসিন বলে উঠল, ‘ভাইয়ের সাথে কথা বলবেন না, সে খুনি। সে অনেক খুন করেছে, ১০০টার উপরে।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুমি কয়টা খুন করেছো?’ সে উত্তর দিল, ‘১০০টার মতো হবে।’ এরপর সে বলল, ‘এই খুনটা তো আমি করতে পারি না। আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ইন্সট্রাকশন দেন কিভাবে খুনটা করব।’”

ডা. শাহাদাত বলেন, “এটা ১৬ বছরের রাজনীতির ইতিহাসের সামান্য একটি অংশ মাত্র।”