
ফেনী প্রতিনিধি|ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নানা অনিয়ম ও ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে অবশেষে তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হচ্ছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গঠিত তদন্ত টিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে এসে হাসপাতালে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রান্না, অস্থায়ী ডোমের কাছে টাকা দাবি, ক্ষুদ্র দোকানদারকে চাহিদামাফিক অর্থ না পেয়ে উচ্ছেদের হুমকিসহ একাধিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তাকে ওএসডি করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়। তবে তদন্ত কার্যক্রম বন্ধ বা স্থগিতের কোনো আদেশ জারি হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত বছরের ১১ ডিসেম্বর তিনি ফেনী জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি স্বাক্ষরিত আদেশে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়াকে। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী। কমিটির অপর সদস্য একই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহীন ভুইয়া।
কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যেই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ডা. সাইফুল ইসলামকে ওএসডি করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
রিপোর্টার নাম: 









