Hi

০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ইন্দোনেশিয়া গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে

গাজায় স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৮ হাজার সেনা পাঠাবে ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৮ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মারুলি সিমানজুন্তাক জানিয়েছেন, সেনাদের নিবন্ধন ও তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

গাজার দুই বছরের সংঘাতের পর ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় ইসরায়েল ও হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য সম্মত হয়। এই পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি অনির্বাচিত টেকনোক্র্যাট সরকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) গঠনের কথা বলা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠিত হয়েছে, যেখানে গাজার টেকনোক্র্যাট সরকার ও আইএসএফ দায়বদ্ধ থাকবে। পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে এতে যোগ দিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো জানিয়েছেন, বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে গাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইন্দোনেশিয়ার দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘কান’ জানিয়েছে, রাফাহ ও খান ইউনিসের মাঝামাঝি এলাকায় ইন্দোনেশীয় সেনাদের জন্য ব্যারাক নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেনারা কবে পাঠানো হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও’র নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে সেনাবাহিনী।

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

ইন্দোনেশিয়া গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে

গাজায় স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৮ হাজার সেনা পাঠাবে ইন্দোনেশিয়া

আপডেট : ১০:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৮ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মারুলি সিমানজুন্তাক জানিয়েছেন, সেনাদের নিবন্ধন ও তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

গাজার দুই বছরের সংঘাতের পর ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় ইসরায়েল ও হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য সম্মত হয়। এই পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি অনির্বাচিত টেকনোক্র্যাট সরকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) গঠনের কথা বলা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠিত হয়েছে, যেখানে গাজার টেকনোক্র্যাট সরকার ও আইএসএফ দায়বদ্ধ থাকবে। পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে এতে যোগ দিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো জানিয়েছেন, বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে গাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইন্দোনেশিয়ার দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘কান’ জানিয়েছে, রাফাহ ও খান ইউনিসের মাঝামাঝি এলাকায় ইন্দোনেশীয় সেনাদের জন্য ব্যারাক নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেনারা কবে পাঠানো হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও’র নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে সেনাবাহিনী।