
মোঃ কামরান হোসেন, (ময়মনসিংহ) |ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া কপিক্ষেত এলাকায় গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় সংঘটিত আলোচিত ফয়সাল আহমেদ রিগান হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন নিহতের পরিবার–পরিজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ছাত্র-যুবসমাজসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ।
বিক্ষোভকারীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। বক্তারা বলেন, রিগানকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, যা কোনোভাবেই ন্যায়বিচার ছাড়া প্রশমিত হবে না।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ নং ওয়ার্ডের যুবক ফয়সাল আহমেদ রিগানকে পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়। অকস্মাৎ অতর্কিত হামলায় রিগান গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই নির্মম ঘটনায় রিগানের পরিবার ও স্থানীয়রা গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিচারের দাবিতে রাস্তায় জনসাধারণ
মানববন্ধনে বক্তারা জোরালো কণ্ঠে বলেন অকিব ও নাজমুলসহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রত্যেককে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে,কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি যেন মামলাকে ভিন্নখাতে নিতে না পারে, দ্রুত চার্জশিট দাখিল করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, তরুণ রিগানের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো সমাজকে শোকাহত করেছে। তাই এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।
পুলিশের অগ্রগতি, পুলিশ এ পর্যন্ত ঘটনাটিতে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেফতার করে আদালতে চালান দিয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে একাধিক দল কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
পরিবারের আর্তনাদ নিহত রিগানের পরিবার মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন—
“আমরা শুধুই ন্যায়বিচার চাই। আমাদের ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। খুনিদের কঠোর শাস্তি না হলে আমাদের শান্তি নেই।”
তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, রিগানের ওপর হামলা ছিল অত্যন্ত নিষ্ঠুর, এবং পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই দুর্ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
সমাজে শোক ও ক্ষোভের ছায়া রিগানের।
![]()
মোঃ কামরান হোসেন 










