Hi

০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৪৩ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা হয়নি, সব শিক্ষককে শোকজ

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৫:০৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২২৩ জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে চলমান কমপ্লিট শাটডাউন ও কর্মবিরতির কারণে নোয়াখালীর ২৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এসব প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে শোকজ নোটিশ জারি করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব পৃথকভাবে শিক্ষকেদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২ ডিসেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে পরীক্ষা নেননি। বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধা দিয়েছেন এবং বিদ্যালয়ে তালা লাগিয়েছেন, যা দায়িত্বহীন আচরণ হিসেবে বিবেচিত।
নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের আচরণ সরকারি কর্মচারী আইন ২০১৮ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যদিও শিক্ষকরা ইতোমধ্যে তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন এবং আগামী রোববার (৭ ডিসেম্বর) থেকে পরীক্ষা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি © FeniVoice24
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Noa Super It

You cannot copy content of this page

২৪৩ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা হয়নি, সব শিক্ষককে শোকজ

আপডেট : ০৫:০৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে চলমান কমপ্লিট শাটডাউন ও কর্মবিরতির কারণে নোয়াখালীর ২৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এসব প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে শোকজ নোটিশ জারি করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব পৃথকভাবে শিক্ষকেদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২ ডিসেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে পরীক্ষা নেননি। বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধা দিয়েছেন এবং বিদ্যালয়ে তালা লাগিয়েছেন, যা দায়িত্বহীন আচরণ হিসেবে বিবেচিত।
নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের আচরণ সরকারি কর্মচারী আইন ২০১৮ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যদিও শিক্ষকরা ইতোমধ্যে তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন এবং আগামী রোববার (৭ ডিসেম্বর) থেকে পরীক্ষা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।