ফেনী ভয়েস 24 ডেস্ক : বাড়িওয়ালাদের পক্ষে ভাড়াটিয়াদের সব কর্মকাণ্ডের খবর রাখা সম্ভব নয় দাবি করে অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহির বলেছেন, ভাড়াটেকে নিয়মকানুন বলে দেওয়া হলেও কেউ সেখানে অবৈধ কিছু করলে তার দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মালিকের ওপর বর্তায় না।
রাজধানীর ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জহিরের মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও ৮৪ জন তরুণ-তরুণীকে আটকের পর তাকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হেডকোয়ার্টার্স শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছে। আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
ঘটনার বিষয়ে জহির দাবি করেন, তিনি মূলত স্পেস বা জায়গা ভাড়া দিয়েছেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য কাউকে ভাড়া দেননি। ভাড়ার চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থাপনার খরচ ও কো-হোস্টদের ৩০ শতাংশ বাদ দিয়ে বাকি ৭০ শতাংশ অর্থ তিনি নিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, ভাড়াটেকে নিয়মকানুন বলে দেওয়া হলেও কেউ সেখানে অবৈধ কিছু করলে তার দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মালিকের ওপর বর্তায় না।
এ সময় বিকৃত সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সত্যতা যাচাই না করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ মানুষের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম ও উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির বলেন, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘এয়ারবিএনবি’র মাধ্যমে এ বাড়িটির কক্ষগুলো ভাড়া দেওয়া হতো এবং সেখানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও অবৈধ ডিজে পার্টির আসর বসত। অনলাইনে বুকিং নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ-তরুণীরা এসব পার্টিতে অংশ নিতেন। এ থেকে প্রাপ্ত আয়ের ৭০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহির এবং ৩০ শতাংশ তার নিযুক্ত কো-হোস্ট ও কর্মীরা পেতেন।

You cannot copy content of this page