
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইয়াবা পাচারের জন্য অভিনব কৌশল ব্যবহার করছিল চোরাকারবারিরা। এ কাজে ডুবন্ত কাঠের ক্যারিয়ার, প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ স্টিলের তার, কপিকল, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক মোটর ব্যবহার করা হচ্ছিল। অভিযানে ইয়াবা ও অস্ত্র-গোলাবারুদের পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত এসব সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বেলাল উদ্দিন, খোরশেদ আলম ও রকি আহমেদ। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির চলমান তৎপরতার অংশ হিসেবে পরিচালিত এসব অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নদীপথ ব্যবহার করে প্রযুক্তিনির্ভর কৌশলে মাদক পাচারের বিষয়টি সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
৬৪ বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ ব্যাটালিয়ন প্রায় ১ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। একই সময়ে মাদক পাচারসহ বিভিন্ন ঘটনায় ২২৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
You cannot copy content of this page