সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আনন্দে সব কষ্ট ভুলে যাত্রা করছেন তারা। সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর বিআইডব্লিউটিএ নজরদারি জোরদার করেছে এবং ট্রলার দিয়ে যাত্রী পরিবহনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
অন্যদিকে রেলস্টেশনগুলোতেও ছিল জনসমুদ্র। উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ দেখা গেছে। আসন না পেয়ে অনেক যাত্রী ছাদে ওঠেন, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়েছে। নীলসাগর এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার কারণে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, ফলে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।
বাস টার্মিনালগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে। যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন পরিবহনের জন্য। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা দিলেও দুপুরের পর কিছুটা স্বাভাবিক হয় চলাচল। গাজীপুর এলাকাতেও যান চলাচলে ধীরগতি ছিল।
এদিকে বাসভাড়া নিয়ে যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন সড়ক ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
