ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে তাঁর অফিসে এক হামলার সময় নিহত হওয়ার খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্বারা জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি অনুযায়ী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি কার্যকর হবে।
হামলার সময় খামেনির পরিবারের সদস্যরা—মেয়ে, জামাতা ও নাতি—ও নিহত হয়েছেন, যা বিবিসি, সিএনএন, এবং আল-জাজিরা নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
ইরানির রেভুল্যুশনারি গার্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি। তিনি ছিলেন আত্মার পবিত্রতা, ঈমানের দৃঢ়তা, সৃজনশীল চিন্তা এবং আল্লাহর পথে সাহসী জিহাদের একজন অনন্য নেতা।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খামেনির মৃত্যুর ফলে দেশের প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ প্রভাবিত হতে পারে। এর ফলে খামেনির উত্তরাধিকার নির্ধারণ এবং সরকারী স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রক্রিয়া এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
এই ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।
You cannot copy content of this page