মোহাম্মদ হানিফ, ফেনী | সম্পত্তি নয়, বিরোধ কেবল চলাচলের রাস্তা নিয়ে—উভয় পক্ষের সম্মতিতে সার্ভেয়ার আমিনের মাধ্যমে নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত
সংবাদ প্রতিবেদন:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপারবর্তী গ্রামে সম্পত্তি বিরোধ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন তদন্ত ও শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অভিযোগকারী
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান বরাবর আরবের নেসা (পিতা: আলতাব আলী), গ্রাম—চরপারবর্তী, পোস্ট—চৌধুরী হাট, থানা—কোম্পানীগঞ্জ, জেলা—নোয়াখালী।
ছালেহা খাতুন (পিতা: আবদুর রব)
গ্রাম—চরপারবর্তী, পোস্ট—চৌধুরী হাট, থানা—কোম্পানীগঞ্জ, জেলা—নোয়াখালী এর
বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার দাগনভুইয়া উপজেলার সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম সাহেবের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলে উপস্হিত ছিলেন জনাব আবুল কাশেম সাহেব, আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা শাখার পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ সাহেব এবং দাগনভুইয়া উপজেলা সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম সাহেব।
সরেজমিনে তদন্তকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দলিলদি পর্যালোচনা করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিনিধিদল দেখতে পান যে, উক্ত জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে প্রকৃতপক্ষে কোনো মালিকানা বিরোধ নেই। মূল বিরোধটি সৃষ্টি হয়েছে চলাচলের রাস্তা ব্যবহারের বিষয়কে কেন্দ্র করে।
পরবর্তীতে মানবাধিকার সংস্থার মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আগামী ৩ জানুয়ারি ২০২৬ ইং, শনিবার সার্ভেয়ার আমিনের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমাধানের দিন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
উক্ত আলোচনা ও শালিসী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম সাহেব, ফেনী জেলা শাখার পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ সাহেব, দাগনভুইয়া উপজেলা সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম সাহেব, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জনাব ইব্রাহিম মিয়াজী, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জনাব আবু বক্কর ছিদ্দিক, জেলা উপপরিদর্শক জনাব আলা উদ্দিন এবং ফেনী জেলা উপপরিদর্শক জনাব উসমান গনী।
স্থানীয় এলাকাবাসী মানবাধিকার সংগঠনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ পর্যায়ে বিরোধ দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকছে।
You cannot copy content of this page